Sunday, October 4, 2015

অশ্লীলতা ও বাস্তবতা

একজন ছেলে মোবাইলে সারা দিন-
রাত
পর্ণ ফিল্ম দেখে,সেই ছেলেটা
অশ্লীল।
একজন প্রেমিক-প্রেমিকা পার্কে
অথবা কোন আবাসিক হোটেলে
শারিরিক মেলা-মেশা করলে তাদের
চরিত্রহীন প্রেমিক-প্রেমিকা বলে
হয়।
কোন মেয়ে পুকুরে গোসল করার সময়
সেটা ভিডিও করে বন্ধুদের
মোবাইলে
ব্লু-টুথের মাধ্যমে শেয়ার করা
ভন্ডামি,লুচ্চাইমি বলা হয়।
রাস্তায় সুন্দরি কোন মেয়ে দেখে
তার
সাথে অশ্লীল ব্যাবহার করাকে
ইভটেজিং বলা হয়।
কোন নারী একজন পুরুষের কাছে
ধর্ষন
হওয়ার পর তাকে ধর্ষিতা বলা হয়।
ফেসবুকের ইনবক্সে যেকোনো
মেয়ের
সাথে লুতুপুতু করাকে লুলামি বলা হয়।
!
# আসুন_মূল_কথা_বলা_যাক ...!
!
শিক্ষার উপর ৭.৫%ভ্যাট আরোপ করা
হয়েছিল।
সারাদেশব্যপী শিক্ষার্থিদের
কঠোর
আন্দোলন স্মৃষ্টি হয়,
যার ফলে সরকার শিক্ষার
উপর,শিক্ষার্থিদের উপর থেকে
ভ্যাট
তুলে নিতে রাজী হয়েছিলো।
!
কিছু দিন আগে এক সংবাদ বার্তায়
দেখতে পেয়েছিলাম।
আব্দুল মাল এক ব্রিফিং এ
বলেছিলো,
আজ থেকে সারাদেশে,প্রতিট
া শিক্ষা
প্রতিষ্ঠানে কনডম বিতরন করা হবে।
ছিঃ!! ভাবতেই অবাক লাগছে একজন
মন্ত্রী হয়েও কি ভাবে তিনি নিজ
মুখে
এমন একটা নষ্ট ব্রিফিং দিতে
পারলো??
!
হয়তো আবার শিক্ষার্থিরা
আরেকটা
আন্দোলন করবে,যেমনটা করা
হয়েছিলো ৭.৫%ভ্যাট প্রত্যাহার
করার জন্য।
কিন্তু এই আন্দোলন হবে অন্যসব
আন্দোলন
থেকে একটু আলাদা।
সবার মুখে মুখে একটা কথা
প্রতিদ্ধনি হবে।
!
# নো_সেক্স_অন_এডুকেশন ।
!
আমরা শিক্ষার্থিরা দেশের কাছে
দেশের সরকার এর কাছে শুধু একটাই
চাওয়া।
সুষ্টু,সুন্দর,ভাবে শিক্ষা গ্রহন করতে
চাই।
আচ্ছা এখন কোথায় গেলো আমাদের
সুশিল সমাজ এর মানুষ গুলো??
!
তাদের সন্তানরা কি
স্কুল,কলেজ,ভার্সিটিতে পড়াশোনা
করেনা?
কেনো তারা কিছু না বলে চুপ করে
আছে??
আসলে যে দেশের সুশিল সমাজ আজ
ক্ষমতার কাছে জিম্মি হয়ে
থাকে,সেই দেশে
!
এর থেকে ভালো আর কি হতে
পারে??
দেশের সুশিল সমাজের মানুষ গুলো
যদি
ক্ষমতার কাছে জিম্মি হয়ে চুপ করে
থাকে,
তাহলে দিন দিন সারা দেশেই বেড়ে
চলবে অশ্লীল ব্যাপার গুলো।
!
# সবার_কাছে_প্রশ্ন ।
!
আজ আপনি-আমি,আপনার-আমার,
পরিবার কি সেই সব অশ্লীলতার
থেকে মুক্ত??
!
# নিশ্চই_না ।
!
আসুন না,সবাই মিলে আমাদের
সোনার
বাঙলা নিজেদের মতো করে
সাজাই।
কোন অশ্লীলতা থাকবে না,থাকবে
শুধু মানবতা।

Thursday, October 1, 2015

সৌদি যুবরাজ ও বর্তমান প্রেক্ষাপট

"প্রিন্স মুহাম্মাদ বিন সালমান "
সময়ের আলোচিত একটি নাম ।
তিনি সৌদি আরবের যুবরাজ ।
ছোট বেলায় তার পিতা
[ যিনি বর্তমান সৌদি বাদশাহ ]
অনেক আবেগ আর ভালবাসা নিয়ে
পুত্রের নাম নবীজী সা. এর নামের
সাথে মিল রেখে মুহাম্মাদ
রেখেছেন ।
বাদশাহ সালমান নিজেও একজন
হাফেজে কোরআন ।নিজের
সন্তানকেও দ্বীনী পড়া লেখা
করিয়েছেন ।
.
প্রিন্স মুহাম্মাদের পাশ্চত্য কোন
সার্টিফিকেট নেই, তিনি কাবা
শরীফের ইমাম সাহেবদের নিকট পড়া
লেখা করেছেন ।
.
ছোট বেলা থেকেই তিনি দেশ
জাতী ও বিশ্ব মুসলীম উম্মাহ নিয়ে
চিন্তা ভাবনা করতেন ।
তিনিই সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা
মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে আছেন ।
.
তিনি বাদশাহ সালমানের প্রধান
উপদেষ্টা হিসেবেও নিয়োজিত
আছেন ।
তিনি প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের
দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই সৌদি
আরবের ঐতিহ্য ও স্বকীয়তা
পূণরুদ্ধারে অবিরাম প্রচেষ্টা
চালিয়ে যাচ্ছেন ।
.
এরই ধারাবাহিকতায় ইখওয়ানুল
মুসলিমীন, ফিলিস্তিন মুক্তি সংগঠন
হামাস, তুরস্কের আশাজাগানিয়া
নেতা ও মুসলীম উম্মাহর গর্ব
প্রেসিডেন্ট এরদোগান সহ বিশ্ব
মুসলিম নেতৃবৃন্দের সাথে সম্পর্ক
জোরদার করা হয়েছে ।
এবং হামাস প্রধান খালেদ মাশআল
সহ সংগ্রামী ব্যক্তিদের সাথে
গুরুত্বপুর্ণ বৈঠক করা হয় ।
আর এ সকল মতবিনিময় ও বৈঠকে
নেতৃত্ব দিয়েছেন প্রিন্স মুহাম্মাদ ।
তিনি আরবীয় খান্দানে এক ভীন্ন
চিন্তার মানব হিসাবে খ্যাত ।
তার সর্বদা একটাই চিন্তা, তা হল
বিশ্ব মুসলীমের হারানো গৌরব ফের
আদায় করা ।
.
বর্তমান বাদশাহর আমলে সৌদী
নীতিতে আমূল পরিবর্তন আনা
হয়েছে । আর এ সব কিছুই সাধিত
হয়েছে যুবরাজ মুহাম্মাদের পরামর্শে

-কারন, তার চেতনা একেবারেই স্বচ্ছ

হারাম শরীফের ইমাম সাহেবগন
ছোটবেলা থেকে তাকে
আপোষহীনতার শিক্ষাই দিয়েছেন ।
তিনিই সৌদির শত্রু মিত্র নির্ধারন
করে দিয়েছেন । বর্তমান সৌদি
জনগন আশার প্রহর গুনছেন,
ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যত নেতৃত্ব
হিসেবে সৌদীর বুকে আশার প্রদীপ
জ্বালাবেন যুবরাজ 'মু হা ম্মা দ '।
.
তার পরামর্শেই ইরানী হিংসুক
শিয়াদের হাত থেকে ইয়ামানকে
বাঁচানোর জন্য বাধ্য হয়ে ইয়ামানে
বিমান হামলা করে সৌদী ।
.
সৌদীতে এরকম সাহসী ও সংগ্রামী
ব্যাক্তির অস্তিত্বের জন্যই
শীয়াগোষ্ঠী ও ইহুদীরা সবচে
আতঙ্কে আছে প্রিন্স মুহাম্মাদকে
নিয়ে ।
তাই তাকে ফাসানোর জন্য ষড়যন্ত্র
করে মিনা ট্রাজেডী ঘটানো হয় ।
এবং যুবরাজের ইমেজ ধ্বংসের
অপচেষ্টা করা হয় ।
.
আজ সৌদী মিডিয়া এঘটনার তীব্র
প্রতিবাদ জানিয়েছে । এবং
ধারাবাহিক ষড়যন্ত্রকারী
ইরানীদের হুশিয়ার জানানো হয়েছে

এবং আরো জানা গেছে, সৌদি
সরকার ঘটনার তদন্ত করতে বজ্রকঠিন
শপথ নিয়েছেন ।
এবং শত শত সিসি ক্যামেরার
চূলচেরা বিশ্লেষণ চলছে ।
অপরাধীদের কড়া শিক্ষা দেয়া হবে

.
শীর্ষ নিউজ জানিয়েছে, হাজীদের
মৃত্যুর ঘটনাটি একটি ষড়যন্ত্র ।
মুসলীম উম্মাহর হৃদস্পন্দন মক্কাকে
কলুষিত করতেই এই অপচেষ্টা করা
হয়েছে ।
এবং ভবিষ্যত সৌদীর শক্তীশালী
নেতৃত্বের অবসান ঘটানোর জন্যই
একাজ করেছে শত্রুরা ।
-জানা গেছে, সৌদী আরব শুধু মাত্র
হাজীদের সম্মানে হজের সময় যে
নিরাপত্তা বেষ্টনী ও ব্যবস্হাপনা
করে থাকে,
তা দিয়ে ৫০ টি ফুটবল বিশ্বকাপ
একবারেই আয়োজন করা যাবে
অনায়াসেই । এত নিরাপত্তার পর ও
এই অনাকাঙ্খি ত ঘটনা রহস্যময়
ইতিহাস হয়েই থাকবে । বিশ্ব জনমত
সে কথাই বলে ।
.
-এরপর ও সৌদী আরবকে কলঙ্কিত
করতে ও মুসলীম বিশ্বের দৃষ্টি
অন্যদিকে ঘুরাতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র
করা হচ্ছে । আর এতে নাটের গুরু
হিসেবে কাজ করছে ইহুদী,
খৃষ্টানদের সাথে হাত মিলানো
শীয়াগোষ্ঠী ।
.
-আমরা আশাবাদী, সৌদীর আগামী
তরুন প্রজন্ম ও নব্য তুর্কীরা ইসলাম
বিদ্বেষীদের সকল ষড়যন্ত্রকে
ধুলিৎসাত করে দিবে ইনশাআল্লাহ ।
.
-বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ আপডেট ও
গোয়েন্দা রিপোর্টে আশা করা যায়,
নতুন আরেকটি ইসলামী বিপ্লবের
অপেক্ষায় দুনিয়া ।
আর সেটা হয়তো আসবে আরবের ভূমি
থেকেই । যার সহযোগী থাকবে নব্য
তরুন তুর্কীরা ।
যার সমর্থনে থাকবে হাজার মাইল
দূরে, বিশ্বের প্রান্তে প্রান্তে
ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আমাদের মত
নবী প্রেমিক ঈমানদ্বীপ্ত তৌহিদী
ছাত্র জনতা ।
.আর সেই আন্দোলনে ইসলামী
দুনিয়ার নেতৃত্ব চলে যেতে পারে
আজকের যুবরাজ মুহাম্মাদ এর হাতে ।
তার চেহারার গভীর ছাপ সে কথারই
প্রতিনিধিত্ব করে ।
তার চেহারার মাঝে লুকিয়ে আছে
বিজয়ের অভিপ্রায় ।
.
-বিজয় মুসলমানদের পদচুম্বন করবে ।
যুবরাজ মুহাম্মাদের নেতৃত্বেই আসতে
পারে মধ্যপ্রাচ্যে অন্যধরনের এক
পরিবর্তন । যা হয়তো পাশ্চত্য
দুনিয়াকে নাড়িয়ে দিবে ।
বিভিন্ন ঐতিহাসিক পরিসংখান সে
ইঙ্গিতই দিচ্ছে আমাদের ।
সেই আশার আলোর সোনালী
প্রভাতের অপেক্ষায়....